-
- পাতা বিবর্ণ হওয়া: জিংকের অভাবে গাছের কচি পাতা ছোট, ফ্যাকাসে ও বিবর্ণ হয়ে যায়।
- বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া: গাছের অগ্রভাগের বৃদ্ধির হার কমে যায়, যার ফলে গাছের কাণ্ড ও পর্ব ছোট হয়ে গাছ খাটো বা লিকলিকে হয়ে পড়ে।
- পাতা কোঁকড়ানো: গাছের পাতা স্বাভাবিকভাবে না বেড়ে কুঁকড়ে ও গুটিয়ে ছোট আকৃতি ধারণ করে।
-
- তাৎক্ষণিক শোষণ: স্প্রে করার সাথে সাথেই উদ্ভিদের পাতা জিনার্জি-১০ সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করে নেয়, ফলে দ্রুত পুষ্টির অভাব দূর হয়।
- সবুজ কণা ও ক্লোরোফিল বৃদ্ধি: এটি পাতার ক্লোরোফিল গঠনে সাহায্য করে, যা গাছকে ঘন সবুজ, চওড়া ও সতেজ করে তোলে।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: উদ্ভিদের প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে প্রতিকূল আবহাওয়াতেও ফসলকে সুস্থ রাখে।
- হরমোন ও প্রোটিন উৎপাদন: উদ্ভিদের স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় কাজ যেমন— প্রোটিন প্রস্তুত এবং হরমোনের কার্যকারিতা বাড়াতে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
-
- প্রয়োগ পদ্ধতি: ফসলে দস্তার অভাব দেখা দিলে পানিতে ভালোভাবে মিশিয়ে গাছের পাতায় স্প্রে করতে হবে।
- সঠিক মাত্রা: প্রতি লিটার পরিষ্কার পানিতে ০.৫ থেকে ১ গ্রাম জিনার্জি-১০ ভালোভাবে গুলে স্প্রে করুন।
- স্প্রে করার উপযুক্ত সময়:
-
- চারা রোপণের ২১ দিন পর প্রথমবার স্প্রে করুন।
- চারা রোপণের ৪৫ দিন পর দ্বিতীয়বার স্প্রে করুন।
-
- পরামর্শ: প্রখর রোদে দুপুরের দিকে স্প্রে না করে, সকাল অথবা বিকেলে কম তাপমাত্রায় স্প্রে করা সবচেয়ে উত্তম।
-
- ওষুধ ছিটানোর সময় মুখ ও হাত ঢেকে রাখুন এবং বাতাসে বিপরীত দিকে স্প্রে করবেন না।
- ঠাণ্ডা, শুষ্ক ও ছায়াযুক্ত স্থানে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন।
- মানুষ ও গৃহপালিত পশুপাখির খাদ্য সামগ্রী থেকে সম্পূর্ণ দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।




Reviews
There are no reviews yet.